ভবের দুনিয়ায় এসে করিলে কত রং তামাশা, স্বরণ রাখিও তুমি—ছাড়িতে হবে এ সংসারের আশা। শূন্য হাতে ফিরবে তুমি আপন ঠিকানায়, বুকভরা সেই আর্তনাদ, দেখার মত কেউ রবে না। পাশে
আজ অনেকদিন পর আয়নায় চোখ পড়ল, গিয়ে দেখি ধুলোর আস্তরণে ঢাকা সবটুকু আমি। হাত বাড়িয়ে ধুলো মোছার পর আলো-আঁধারির মাঝে আবিষ্কার করলাম নিজেকে— এই কি আমি? আঙুল ছুঁয়ে গেল
ঘুমন্ত এ শহরে ঘুমিয়ে আছে সকল স্তরের মানুষ। আমি নেই ঘুমিয়ে দাড়িয়ে টপ ফ্লোরে রোডলাইটের দিকে তাকিয়ে। কেন যানি — আমার ঘুম আসছেনা আজ। এ শহরটা খুব উন্নত শহরের চারিপাশে
মা বর্ষা আক্তার পিচ্চি জানো মা, আমি না ভীষণ একা বড্ড ইচ্ছে করে তোমায় দেখতে তোমার আদর পেতে মনটা হাহাকার করে তুমি বলতে না? মা ছাড়া পৃথিবী অন্ধকার আমি সেটা
আমি কাঁপিত পথের ধূলি, আমি ছিন্ন ভিখারী, শূন্য হাতে ফিরি দিনে—রাত শেষে পথহারী। ঘরে নেই দীপালোক, নেই কণ্ঠে আহ্বান, দুয়ার বুঁজে বসে আছে যে সমাজ নির্জন প্রাণ। আমার চোখে স্বপ্ন
শীতের সকালে মৃদু কুয়াশার রেশ, তারি মাঝে সূর্যের উকি ভালো লাগে বেশ। সূর্যের লাল কিরণেই যেন ফুটে ওঠে, বাংলার আসল বেশ। কুয়াশায় শিশিরে ভেজা দেশ, রূপ কথার মতো এ
আমি দেখেছি— আকাশ ফুঁড়ে আগুন নামে, আর শিশুদের শরীর ছিঁড়ে বেরিয়ে আসে চিৎকার! আমি শুনেছি— কেউ বলছে “ত্রুটি”, কেউ বলছে “দুর্ভাগ্য”, আর লাশগুলো সাজানো হচ্ছে সংখ্যা দিয়ে, যেন ওরা
নীল আকাশ হঠাৎ কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়, হাসি ভরা মুখগুলো মাটিতে নিথর হয়ে যায়। শিশুরা—যাদের স্বপ্ন ছিল আকাশ ছোঁয়ার, তারা আজ পরিণত হলো অশ্রুর সমুদ্রে হারানো আলোয়। মাইলস্টোনের প্রতিটি
মাইলস্টোন বিমান বিধ্বস্ত বর্ষা আক্তার পিচ্চি মুহূর্তেই নীল আকাশ কালো রঙে ছেয়ে গেল। স্বপ্নগুলো ধূলিসাৎ চারপাশে রক্তের বন্যা পোড়ামাটির গন্ধ প্রাণ বাঁচানোর আত্মনার্দ হাহাকার ব্যথায় চিংকার দিনটা যেন আলো থেকেও
বৃক্ষ মীর ফয়সাল নোমান বৃক্ষ তুমি দাও আমাদের শান্তি আর আরাম, তোমার ছায়াতলে মিলে প্রশান্তির স্থান। গরমে তুমি হও আমাদের ঠান্ডার আশ্রয়, মৌসুমে মৌসুমে দাও রসে ভরা ফলের মহালয়। তোমার