বাকরুদ্ধ দীপংকর কুমার চৌধুরী জীবন ন্যাতানো সন্ধ্যাই মুখ গুঁজে, রক্তের ছিটায় রাস্তার অবয়ব মেখে আছে। কন্ঠে আক্ষেপ জমে আছে প্রচন্ড, নিঃসঙ্গ রাত গলিয়ে ঢুকে ভাঙা দরজায়। যন্ত্রণার দেবতা উঁকি দেয়
প্রেমে পড়ার মুহূর্ত চাতক শাকিল যখন প্রথম দেখলাম চোখ দু’টি, মন যেন থেমে গেল এক নিমিষে— আকাশের বুক চিরে ঝরল আলো, তোমার দৃষ্টিতে জ্বলে উঠল জীবন। হাত কাঁপে না, অথচ
একা পথিকের দোয়া আব্দুল মালিক জহির একা আমি, তবু একা নই — রব্বুল আলামীন আমার ছায়া, আমার নিশ্চয়। দুনিয়া যদি সব দরজা বন্ধ করে দেয়, রাহমাতের দুয়ার কখনোই বন্ধ
আমি বজ্রের সন্তান আসমাউল ইমন আমি সেই আগুনের পাষাণ, যে কাঁদে না, ভাঙে! যে বাঁধে না, জাগে! আমি ধ্বংসের করতাল বাজানো অগ্নিবীণা, শ্রান্ত নয়, পাগে! আমি ধূলায় লুটিয়ে উঠা নবযুগের
নিন্দুকের নিন্দা মুহাম্মাদ শরীফুল ইসলাম নিন্দুক তুমি নিন্দা করছো হচ্ছে আমার ভালো, ভুল-ভ্রান্তি শুধরে এখন পাচ্ছি সঠিক আলো। নিন্দা করে পুণ্য তুমি দিচ্ছো এখন আমায়, আমার গুনাহ নিচ্ছো তুমি তোমার
লুটের প্রাসাদ সৈকত ওভি চাঁদার তন্ত্র, চাঁদার জীবন, চাঁদার আগুনে জ্বলে দেশ। চাঁদা দিলে চলবে ব্যবসা, না দিলে তোর জীবন শেষ। চাঁদার মন্ত্রী, চাঁদার জোট, ভোটের পরে নি:শব্দ মুখ! চাঁদার
কেমন হতো? রজিব মাহমুদ কেমন হতো যদি আমাদের ক্ষুধা না লাগতো? তাহলে মানুষ কি ক্ষুধাই মরতো? কেমন হতো যদি পানি শেষ হয়ে যেতো? তাহলে কি মানুষ অপচয় করতো? কেমন হতো
তুমি অনেক ভাগ্যবতী বর্ষা আক্তার পিচ্চি আমাকে ভালোবাসার মতো কিছুই ছিল না, রাতদুপুরে নেশা করে বাড়ি ফিরতাম অকর্মা ভ্যাদাইমা বলেই সবাই জানত জন্মদাতা বাবা মা ও আমাকে বোঝা মনে করত
আলোর পথিক জুলহাজ আলী জীবন রাতের আঁধার, পথ হারায়, পাপের জ্বালায় হৃদয় জ্বলে, তবুও আশা একটাই আমার— আল্লাহ রয়েছেন অন্তরে, ফলে। নবীর দেখানো সে সুন্নাহ পথ, চিরসত্য, চিরঞ্জীব, সেখানে আছে
বিশ্বস্ত সঙ্গী এস এ সাদিকা সবাই আসে, কেউ বা যায়, কারো সাথে মেলে না ছায়। ভালোবেসে পাই যে ব্যথা, ভরসা করে ঝরে বৃথা। তাই তো ভাবি—থাকুক দূরে, কে আপন, কে