আমি নন্দিত নরকের বাসিন্দা, সেখানেই এক কারাগারের কয়েদি আমি। আমি ভালোবেসে নাম দেই তার শঙ্খনীল কারাগার, সেখান থেকে পথ নেই পালাবার। দেয়ালে পিঠ ঠেকিয়ে বসে আছি আমি হিমু, পালানোর
হে কবি! কলম ধরো—তবে সে কলম যেন থাকে হৃদয়ের অধীনে, অর্থের অধীন নয়। যে কবিতা জন্ম নেয় স্বর্ণের লোভে— সে কবিতা নয়, সে কেবল বণিকের পণ্যে পরিণত হয়। তুমি
“ঘৃণা করো আমায়” মোহাম্মদ সিফাত” তোমরা যদি ভালোবেসে দেখো, আমি হারিয়ে যাই নিজেকেই। তোমাদের চোখে আমি যে ছবি হয়ে থাকি, তা তো আমিই নই। ভালোবাসার ঘেরাটোপে আমি শ্বাস পাই না
বিদ্রোহী আমি জুলহাজ আলী জীবন বিদ্রোহী আমি, আমার হাতেই আগুন, এই আগুন পুড়াবে কেবল শোষণের পাঁজর। দেশ মানে শুধু মাটি নয়, মানে মানুষের হৃদয়, আর সে হৃদয়ে যদি থাকে ক্ষত
তূর্য মোঃ হেলাল উদ্দিন জিসান কি সুন্দর নামটা তোমার আয়শা সাদিয়া তুর্য তোমায় দেখে মুচকি হাসে সকালের ঐ সূর্য। ঠিক দুপুরে যখন রবি, উত্তাপ ছড়ায় মাথায় তোমায় দেখে মেঘ ডাকে
কন্ঠ -নাহিয়ান জামান সাম্য তার কণ্ঠ ছিল বারুদে ভরা— যেমন সূর্য ওঠে গলিত স্বর্ণের মতো, যেমন মিছিলে তার পায়ের শব্দে ভেঙে পড়ে শাসকের অট্টালিকা। যেমন জোনাকি নিভে যায় না বন্দুকের
এখনো চোখে পড়ে হেলাল বিন ইলিয়াছ এখনো চোখে পড়ে রাস্তার ধারে ডাস্টবিনে আবর্জনার স্তুপে শিশুর লাশ লাশের গন্ধে বাতাস মস্ত ভারি। এখনো চোখে পড়ে ডাস্টবিনের আবর্জনায় খুঁজে বেড়ায় পঁচা গন্ধ
জুলাইয়ের স্মৃতি রজিব মাহমুদ জুলাই এসেছিল আগুন হাতে, স্কুল-কলেজে ঝুলতো তালা । শিক্ষার বদলে রাস্তায় খেলা রক্তে লেখা এক বিদ্রোহের মেলা। দিনে খুন, রাতে গুম, নির্বাক শহর—আতঙ্কে নিঃশব্দ ধ্বনি। পুলিশ
৩৬ জুলাই রাসেদা জামিল আমি ক্ষত বিক্ষত হয়ে আবার দাড়াতে চায়,. যে দিন ছাত্ররা নামলো রাস্তায়, আমরা ছেড়ে দিলাম ছাত্রাবাস সবাই। বাঁচবো না হয় মরবো স্বৈরাচার মুক্ত করবো । এদিক
আমি বলি— চুপ করো না, জাগো বাংলাদেশ! কে করেছে চোখে মুখোশ? কারা দিয়েছে স্বাধীনতার নামে চেতনার বুকে বিষের রক্তরাঙা পোশাক? তারা চায়— ‘৭১-এর আগুন নিভে যাক ধুলায়, শহীদদের রক্ত হোক