দুঃখিত -দূর্ঘটনা! সৈকত ওভি। বুক পুড়ল, স্বপ্ন পুড়ল, খাতা উড়ে গেল ছাই হয়ে— কেউ জানল না, আজকে কোনো পাতায় লেখা ছিল মস্তিষ্ক ও হৃদয়ের সংযোগ। কিন্তু হৃদয় তো পুড়েই ছাই,
শ্রদ্ধাস্পন্দনে হৃদয়স্বর রাহুল বড়ুয়া হৃদয় দাদা আপনার কণ্ঠে বাজে বুদ্ধের দীপ্ত আলো, প্রশান্তির বার্তা বহে হৃদয়ে লাগে ভালো। সত্যের সুরে মিশে আছে মমতার ছোঁয়া, অন্ধকার ভেঙে আনে নতুন আলো মায়া।
আজন্মকালের বেলা আহমেদ রাজু বেলা। অদ্ভুত এক প্রেমিকার নাম। জানি না বাস্তবতায় তার অস্তিত্ব কতটুকু! তবে কাব্যিক দৃষ্টিকোণে এই নামটি সবচে বেশি অনুরণন সৃষ্টি করেছে। শুনেছি মহা সাগরের নিচে তার
পথের পথিক মোঃ আকাশ মিয়া নিত্য দিনে নয়ন জুড়ে অশ্রু জড়ে রোজ দুঃখ গুলো লুকিয়ে বেড়াই নেয়নি কেহ খুঁজ। ঘুরছি দেখ বনে বনে পথের পথিক হয়ে ঘর ছাড়া এই আমিটা
নিষ্প্রাণ সমাজ এস এ সাদিকা চারিদিকে মানুষে ভরা, তবে নেই সহানুভূতির ধারা। কষ্ট পেলে কেউ এগিয়ে নয়, উল্টো করে উপহাস-ঠাট্টা সয়। অবিচার দেখেও মুখ বন্ধ রয়, করে না প্রতিবাদ, করে
পাতা কুড়ানি শিশু দীপংকর কুমার চৌধুরী আজ রাস্তায় বের হয়েছি ক্লান্ত— শরীরে। দেখি চারিদিকে হাহাকার নৈঃশব্দ্য কেউ নেই কোথাও–কিন্তু এক শিশু পথে, রাস্তা থেকে পাতা তুলছে ,মনে হচ্ছে— রাস্তা থেকে
দেশটি মোদের স্বাধীন করে আশা ছিলো বুকে, কষ্ট মোদের লাঘব হবে থাকবো মোরা সুখে। দুঃখ-কষ্ট যা ছিলো সব মুছে যাবে, দীর্ঘদিন পরে মানুষ এখন সুখ পাবে। দেশটি মোদের স্বাধীন
ছোট্ট বেলায় খেলা ছিল, মাঠে বনে ধান, মাটির ঘ্রাণে মন ভরে যেত, ছিল না কোনো মান। ছোট্ট পায়ে দৌড় দিতাম, কাঁদা মাটি ঘেঁষে, আকাশ দেখে স্বপ্ন বুনতাম, পাখির সাথে
তোমার চোখে আমার জন্য প্রেম দেখেছি ভালোবাসা দেখিনি, দেখিনি আমাকে হারানোর ভয় অথচ আমার তোমাকে হারানোর ভীষণ ভয় ছিলো আর কি কপাল আমার দেখো? তুমি ঠিক- ই ধূসর কুয়াশায় হারিয়ে
নিঝুম রাতে কল্পনার সাগরে ডুব দিয়ে থাকি, শতো সহস্র বাধার মুখে তোমায় হৃদয়ে রাখি। তোমার জন্য দিবস-রজনী এক আমার কাছে, প্রভাত হতেই কোকিল পাখি ডাকে শিমুল গাছে । তোমায় নিয়ে