প্রতিবেদক – শহিদুল ইসলাম কায়েস চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় একটি চলন্ত ট্রাকের নিচে পিষ্ট হয়ে তিন মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন, সাতকানিয়া সদর ইউনিয়নের বারোদোনা এলাকার ছিদ্দিক
রক্ত গেল, রক্ত খেল, রক্তে হলো সূর্য লাল। সোনার দেশে একি হলো, শুধু হইলো স্বৈরাচার। দুর্নীতি দমন করতে এলো, ২৪ – এরই সংগ্রাম। প্রান হারালো শত মায়ের, শিক্ষিত সন্তান।
পাখির কিচিরমিচির ডাকে আর ঘুম ভাঙে না, টিনের চালে বৃষ্টির ঝিরিঝিরি শব্দ আর টের পাইনা, ভরদুপুরে সূর্যের উষ্ণ পরশ গায়ে মাখিনা, গোধূলি বিকিলে মুগ্ধ হয়ে আকাশ দেখিনা, সন্ধ্যা তারা
তৃতীয় বিশ্বের সিঁড়ি , রাষ্ট্র , তুমি ভূস্বামী। তোমার ক্লি’শে ‘চুরিশুমারী’— মাতৃগর্ভে ‘দে- শ’প্রেম , মর্ডানিজমের ক্ষুধা , রিফিউজির এলিজি ; ‘পুঁজিবাদের আ লু র চপ!’ টঙে চোখ রাঙাচ্ছে একঅজ্ঞাত
মানিক যত কিতাব আছে, ততই বাণী পথ দেখায়। সৃষ্টিকর্তার নামে তাই, গুণের ধারা বয়ে যায়। স্মরণ যতই করি তাঁরে, ততই হৃদয় পায় দিশা। ভেদাভেদে নয় যে প্রাণ, মানবতাই মূল আশা।
যখন তুমি ছোট্ট ছিলে, থাকতে মায়ের আঁচল তলে। হাও মাও করে কেঁদে দিতে, মা জননীর কোলে। আঁচল দিয়ে দিত মুছে দুই নয়নের পানি। অনহারে থাকতো মায়ে, ক্ষুদার জ্বালা পেটে নিয়ে।
মাহরিন আপা তুমি মহিষী, মমতাময়ী, মা – মহান। তুমি রেখেছ শিক্ষা আর জাতির মান। তুমি করেছ প্রমাণ, মা–বাবার পরে শিক্ষকেরই স্থান। তুমি রেখেছ সে কথার মান, অগ্নি পুড়ে হয়েছ
লোভ করে কী লাভ হবে ক্ষণস্থায়ী দুনিয়া, লোভের তরে জীবন কেহ দেয় যে সে বিলিয়া। ভাগ্যে যা লেখা আছে আসবে তা ফিরিয়া, আফসোস করে হবেনা কিছু পাবে তা বুঝিয়া। লোভ
ছেলে কে ভর্তি করে দিয়েছিল মা,, মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজে । বুক ভরা ছিল স্বপ্ন, ছিল চোখে আশা, এই ছেলে হবে আগামী দিনের ভরসা। সকাল হলেই ব্যাগ গোছায় কাঁধে দিত
মাহারিন ম্যামের ত্যাগ জাফর আহম্মেদ মুগ্ধ মা ছিলে, মনে সাহসের মশাল, আঁধার ভেদে তুমি করেছিলে জ্বলজ্বল। হৃদয় হার মানে না, আগুনে পুড়ে, রাখলে প্রাণের শিখা জীবন্ত ঢেউয়ে। শিক্ষার্থীর জন্য ত্যাগ