তোমরা তো ভাই, মানুষ ছিলে, পশু হইলা কেমনে? তোমরা মিয়া সত্য কথা মিথ্যা বানাও যেমনে। আমাদের এই সত্য মিথ্যা তুমি জানলা কেমনে? যেমনে মন, হেমনে। তোমাদের এই মিথ্যার রেষারেষি আনবো
সংগঠনে হলো মিটিং চেয়ারে বসা সবাই চিটিং, এই বলে, আমি হবো বড় ওই বলে,তোমার কথা ছাড়। তুহিন ভাই চায় সভাপতি সবার উপর বসেতে ইচ্ছে তার আছে নাকি, দিকান্ত বাবু
সে আর কথা বলে না, আমার নামের মতোই তার স্মৃতি মুছে ফেলে দেয় প্রতিদিন। আর আমি? আমি চুপচাপ ডুবি নীরবতার জলে, যেন ভালোবাসার নদীটা তার নাব্যতা হারিয়েছে হঠাৎ। আমার কষ্ট
মা, আমার জীবনের প্রতিটি হাসির পেছনে তোমার অগণিত ত্যাগের গল্প লুকিয়ে আছে। ক্ষুধার্ত থেকেও আমায় খাইয়ে দিয়েছ, অসুস্থ হয়েও আমার কপালে ঠান্ডা হাত বুলিয়ে বলেছ ভয় পেও না, আমি
তোমার বলা ‘থাকবো পাশে’ সবচেয়ে মিথ্যে কথাগুলোর একটা ছিল, যেন বর্ষার দিনে রোদেলার আশ্বাস, বা ঘুম ভাঙার ঠিক আগমুহূর্তের স্বপ্ন। তুমি বলেছিলে “চাইলে চাঁদ নামিয়ে দেবো”, আর আমি নির্বোধ,
ভালো নেই আমি, খুব একা মনে হয়, আলোর শহরে আজ আঁধার ঢেউ খায়। হাসির মুখোশে চাপা পড়ে বেদনা, নিজেকেই জিজ্ঞেসি — কই, আমার মনটা? আকাশটা নীল, তবুও কেমন ফাঁকা, পাখিদের
আমাকে দাও এই সভ্যতার সর্বশক্তিমান অস্ত্র, পরমাণু বোমা! ইসরায়েলে ফেলি, আল্লাহু আকবার বলি! আমাকে ফিরিয়ে দাও আরব সভ্যতার স্বর্ণযুগের, ঐক্যের দীপ্ত প্রতিশ্রুতি। আমাকে দাও— এই যুগের শ্রেষ্ঠতম অস্ত্র। যে অস্ত্র
শোনো, বিধুবালা, তোমার মায়ার ছায়ায় গাঁথিয়েছি কলঙ্কের মালা। অসংখ্য অবহেলার, নিরব কুয়াশার ভিড়ে খুঁজেছি তোমায়। বিনিময়ে দিয়ে গেছো কষ্টের পাহাড় আমায়। একটা অপূর্ণ স্পর্শ হয়ে তুমি, এড়িয়ে গিয়েছ আমার
তুমি ছিলে মেঘের মতো — ছুঁইছো, ফেরো নি, আকাশের কোলেও তুমি থেমে রও নি। আমি চাতক হয়ে তাকিয়ে থেকেছি, তোমার একটা বার্তা, হাসি খুঁজে বেড়িয়েছি। তোমার দেয়া সেই চিরকুটের
জগত জুড়ে পাবেনা কোথাও এমন এক উপমা, শিক্ষক তিনি নয়তো ধরার যেন আদর্শ এক মা। বিলিয়ে দিয়ে নিজের জীবন বাঁচালেন কতো প্রাণ, সবার মুখে যাচ্ছে শোনা তার বীরত্বের গান। জলসে