বাংলায় বছর গুনা রাহুল বড়ুয়া বৈশাখ জ্যৈষ্ট এই দুইমাস গ্রীষ্ম ঋতু হয়, আষাঢ় শ্রাবণ এই দুই মাসে বর্ষা ঋতু রয়। ভাদ্র আশ্বিন মাসকে কিন্তু শরৎ কাল ধরে, কার্তিক অগ্রহায়ন হেমন্ত
মোর বাপ জান — নীরব এক জ্যোতিঃপুঞ্জ, সংসার-ঘূর্ণিতে অবিচল যজ্ঞ। চোখে ধ্যানের দীপ্তি জ্বলে, শ্রমের ঋষি, ক্লান্তি ছলে। বুকের ভিতর জ্বলে যজ্ঞশিখা, বাইরে শুধুই ধৈর্যের রেখা। অভাবের আঁধারে দীপ্তি
প্রতিবেদক: নয়ন হাসান আবিদ ঐতিহাসিক আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে কর্ণফুলী উপজেলা’র গণ-অধিকার পরিষদের সকল ইউনিটের উদ্যোগে ৪আগস্ট ২০২৫ ইংরেজি সোমবার সন্ধ্যা ৭ টায় স্থান : গণ-অধিকার পরিষদ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা কার্যালয়,
ভুলের থেকে শিক্ষা নিয়ে সবাই চলি মিলে ভুলের ক্ষতি গুনতে হবে শুধরে না ভাই নিলে। মরণ যখন আসবে কাছে ঝরবে চোখে পানি মরণ থেকে কে তোমারে করবে মুক্ত জানি ?
আকস্মিক মেঘ গর্জে উঠলো, ভেঙে গেল আকাশের ছাদ। গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি ছড়ালো পথ আর সবুজ প্রান্তর। ব্যাস্তময় এক পথিক এসে দাড়ালো ছোট্ট এক চায়ের দোকানে। আকাশ থেকে এক ফোটা
এক ধরিত্রীর বুকে সাত আকাশের ছায়াতলে সাত পাতালের দেহে সূর্য,চন্দ্র,নক্ষত্রের এক শ্রেষ্ঠার সৃষ্টি আমরা একই মায়ের সন্তান একই পিতার ঔরসে__ একই গোষ্ঠীর বিভিন্ন গোত্রে এই ভুবনে জন্মেছি আমরা… জানা
সাপ মারিলো লেজে প্রাণ মারে নাইতো, শুধুই ভান নিত্যি শুনছি নুতন গান ভাগ-ভোগেতে টান। অলি গলি লোকের কথায় কীইবা নেরেশান ? আব্বা চাচার ধাপ্পা দেখেও রাখবা তাদের মান। আফাডাইঙ্গ্যা ফাডা
তোমায় আমি গোলাপ দিলাম তুমি দিলে কাঁটা তোমার জীবনে জোয়ার এলো আমার জীবনে ভাঁটা। ফিরে এসেছি সরল পথে ছেড়েছি পাপ কাজ তুমি হাটছো ভুলপথে আর হারিয়েছ সব লাজ। পৃথিবীর
বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর পুকুর বরে জল উপুর। ছোট মাছ লাফাই পুঁটি। জলে চারপাশ থই থই। গাছের পাতায় জল গড়ই। কাক ভিজে কা -কা। ময়ূর ভিজে পেখম। ব্যাঙ করে
আঁধার রাতে চাঁদ উঠেছে দূর গগণের গায়, আলোক বাতি ছড়িয়ে আছে আমাদের এই গাঁয়। মনের মতো ছড়ায় আলো কৃপণতা নাই তাতে, কখনো আবার মেঘের আভায় হারিয়ে যায় রাতে। জ্যোৎস্না