
মাহে রমজান রহমত,মাগফেরাত ও নাজাতের মাস। রমজান আমাদের জন্য ফরজ করেছেন যেমন, তেমনি যাকাত ফরজ করেছেন বিত্তবানদের অর্থাৎ যাদের নিসাব পরিমাণ অর্থ আছে বা নিসাব পরিমাণ স্বর্ণ বা রূপা আছে। যাকাতের শতকরা ২.৫% বা হাজারে ২৫ টাকা, লাখে ২৫০০ টাকা দান অবশ্যই করতে হবে। যাকাত যারা গ্রহণ করতে পারবে তাদের কে যাকাত দিতে হবে।
অনেক ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অভাব অনঠনে কর্জে জড়াজড়িত তাই এ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ঠিকিয়ে রাখতে আপনার, আমার পাশে থাকা চাই। আপনার প্রতি মাসের আয়ের একটা অংশ এতিমখানা বা মসজিদ মাদ্রাসা বা গরিব-দুখি, বিধবা ও দুস্থদের মাঝে দান করবেন। দান যদি তার হোক সেটা অতি অল্প এতে আপনি আল্লাহ তা’লার কাছে জিহাদকারির সমতুল্য হবেন। (বুখারি-৬০০৭)
আলহামদুলিল্লাহ! আমরা যারা দান করি, তারা দানকে আরো বেশি বাড়িয়ে দেয় একমাত্র আল্লাহ’র সন্তুষ্টি জন্য! আমরা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বেশি বেশি দান করি। কেননা বৈশ্বিক পরিস্তিতির কারণে অনেক শিক্ষক বেতন পাচ্ছেনা। শিক্ষকরা আলোর দিশারী! তারা কারে কাছে হাতও পাততে জানেনা। অনেকের আর্থিক অবস্থা দুর্বলতার কারণে মানবেতর দিন যাপন করছে। এছাড়া বিদ্যুৎ বিল ও অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক খরচতো আছেই। যা পরিস্তিতি’র কারণে ব্যয় বিবারণে কষ্ট আছে তাই আসুন এগিয়ে নিজ নিজ উদ্যোগ এ মানবতার কল্যাণে, স্বপ্নিল আগামীর প্রত্যয়ে…..
এম. হেলাল বিন ইলিয়াছ,
ফ্রিলেন্স সাংবাদিক, চট্টগ্রাম।