1. news@dainikchatgarkobor.com : দৈনিক চাঁটগার খবর : দৈনিক চাঁটগার খবর
  2. info@www.dainikchatgarkobor.com : দৈনিক চাঁটগার খবর :
বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০২:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাধ্যমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে কর্তৃপক্ষের সাথে সনাকের অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত রমজানে দানের হাত বাড়িয়ে দেয় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে! পটিয়ার এলিট হেয়ার স্টুডিও এন্ড ক্যাফেতে স্টাইলিশ লুকের সাথে পাচ্ছেন আকর্ষণীয় উপহার তোমাকে খুঁজি -মো:হেলাল উদ্দিন জিসান চট্টগ্রামের পটিয়ায় অর্ধশতাদিক শীতার্ত মানুষের মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করেছেন, মানবিক সংগঠন পটিয়া ব্লাড ফাউন্ডেশন। পটিয়ায় আন্তর্জাতিক ক্লিন এনার্জি দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে মানববন্ধন বৃষ্টিস্নাত মদীনায় পটিয়ায় চাঞ্চল্যকর দশ মাসের অন্ত্বসত্তা গৃহবধূ মহুয়া হত্যা প্ররোচনাদানকারী হিসাবে অভিযুক্ত প্রধান আসামী ফায়াদ চৌধুরীর জামিন নামঞ্জুর চট্রগ্রাম দক্ষিণজেলা বিএনপি কর্তৃক বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে কুরআন খতম ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত। আজ সাংবাদিক শহিদুল ইসলাম কায়েস -এর জন্মদিন উপলক্ষে শুভেচ্ছা

পটিয়ায় চাঞ্চল্যকর দশ মাসের অন্ত্বসত্তা গৃহবধূ মহুয়া হত্যা প্ররোচনাদানকারী হিসাবে অভিযুক্ত প্রধান আসামী ফায়াদ চৌধুরীর জামিন নামঞ্জুর

  • প্রকাশিত: সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ২৬৯ বার পড়া হয়েছে

পটিয়া উপজেলা হাঁইদগাও গ্রামের মেয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিএ’র, শিক্ষার্থী, দশ মাসের অন্ত্বসত্তা শাহনাজ কামরুন নাহার মহুয়া হত্যা প্ররোচনাদানকারীর হিসাবে অভিযুক্ত প্রধান আসামী আজ গ্রেপ্তার হয়েছে।গত ১৬ অক্টোবর ২০২৪ সালে রাতে মৃত্যু ঘটে মহুয়ার।মহুয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়,অন্ত্বসত্তা মহুয়াকে তার স্বামী শাশুড়ী ননদ রা সম্মিলিত ভাবে আত্নহত্যার প্ররোচনা করে আত্নহত্যা করতে বাধ্য করেছিলেন।

উল্লেখ্য ২০২৩ সালের ১৬ ডিসেম্বর মহুয়া ও ফায়াদের প্রেমের সম্পর্ককে স্বীকৃতি দিয়ে দুই পরিবার ধুমধাম করে তাদের বিয়ে দেয়। ইতোমধ্যে সন্তানসম্ভবা হন শাহনাজ। আর মাত্র ১০/১২দিন পরই তার প্রথম সন্তান পৃথিবীতে আসার কথা ছিলো । কিন্তু তার আগেই সব শেষ হয়ে যায়।

ঘটনার পরপর শোকাহত বড় ভাই শাহনেওয়াজ সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছিলেন- আমার বোনকে বিয়ের পর থেকে নানাভাবে নির্যাতন করে আসছিল। আমরা তাদেরকে যৌতুক হিসেবে টিভি, ফ্রিজ, আসবাবপত্রসহ নানা কিছু দিয়েছি। তাদেরকে খুশি করার জন্য আমরা সবসময় চেষ্টা করতাম। কিন্তু আমরা যেটাই দিই না কেন, সেটা তাদের পছন্দ হয় না। এগুলো নিয়ে সবসময় আমার বোনকে খোঁটা দেওয়া হতো। মানসিক নির্যাতন করা হতো। পান থেকে চুন খসলেই তার গায়ে হাত তুলতো। ঘরের ছোটখাটো কাজেও ভুল ধরে অত্যাচার করতো। আমার বোনের সঙ্গে ওইদিন রাত ১টা পর্যন্ত আমি নিজেই কথা বলেছি। এর আগে তার স্বামী আমাকে কল দিয়ে বিচার দিয়েছে। আমি বোনের সঙ্গে কথা বলার আধাঘণ্টা পর রাত দেড়টার দিকে তার শাশুড়ি আমার স্ত্রীকে ফোন দিয়ে জানিয়েছেন যে আমার বোন অজ্ঞান হয়ে গেছে।’ বিষয়টি রহস্যজনক, এটা স্রেফ মার্ডার। আমার বোনকে তারা নির্যাতন করে হত্যা করেছে।

ঘটনার দিন শাহনাজ মহুয়ার নিথর দেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যান স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন। ঘটনার ব্যাপারে নগরীর পাঁচলাইশ থানায় ফায়াদ ও তার মা চেমন আরা রফিক কে প্রধান আসামী করে ৩০৬ ধারায় মামলা করেছিলেন ভিকটিম শাহনাজের বড় ভাই মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ। মামলার অন্য আসামিরা হলেন, নিহত শাহনাজের স্বামীর বড় বোন তাসলিমা আফরোজ (৪৪) ও তার স্বামী মো. লোকমান (৪২), শাহনাজের স্বামীর মেজো বোন খাদিজা আফরোজ (৩৭), স্বামীর সেজো বোন তাহমিনা আফরোজ (৩২) এবং স্বামীর ছোট বোন নাজিফা সালসাবিন (৩০)।
ঘটনার পরপর দুই ননদ সহ তিন জন গ্রেপ্তার হলেও প্রধান দুই আসামী পলাতক ছিলেন।
অবশেষে প্রশাসন কে ফাঁকি দিয়ে দীর্গ দিন পলাতক থাকলেও আজ আদালতে জামিন চাইতে গেলে বিজ্ঞ আদালত তাকে জামিন নামঞ্জুর করে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।আসামী ফায়াদ গ্রেপ্তারের পর নিহত মহুয়ার ভাই শাহনেওয়াজ এর কাছে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।তিনি বলেন-অপরাধী ধরা পড়ায় আমার বোনের আত্না শান্তি পেয়েছে।এবং আসামীর সর্বোচ্চ বিচার দাবি করেন এবং প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট