আগুন দানব
মিশি হাসনাহেনারাতের আঁধারে দানব এসেছে
আগুন বেশে
রেগেমেগে একের পর এক
ভালোবাসার ঘর গিলে নিয়েছে সে।সারা রাত আগুন দানব ভস্ম করে দিয়েছে কড়াইলের বস্তি
এতো মানুষের ঘুম কেড়ে নিয়ে
তবুও হলো না তার স্বস্তি।দেশে -বিদেশে সে পুড়াই নগর
গড়ে নিজের স্বত্ত্বা
অমানুষরা মারছে মানুষ
করছে মানবতার হত্যা।সে দানব গিলে নিয়েছে দুঃখিনী মাতার তিলে তিলে গড়া সংসার
মন ভেঙে যায় চোখ ভরে ওঠে
দেখিলে কালো অঙ্গার।ছাই করে দিলো রহিম কাকার
হাড়ভাঙা শ্রমের ঘরখানা
অল্প রুজিতে যেথায় ছিলো হাসি-খুশি আর ভালোবাসার ষোলো আনা।সে দানব কেড়ে নিয়েছে কতশত
মানুষের শেষ সম্বল
এই কনকনে শীতের নিস্তব্ধ রাতে
পাইনা তারা একটু উষ্ণতার কম্বল।হে জাতি নীরব কেন?
দানের হাত কেন আজ সংকীর্ণ?
চোখে কি পড়ে না তোমার ভাইয়ের
দেহ শীর্ণ?হে অবুঝ শিশু ক্ষমা করো
এই নিকৃষ্ট জাতিকে
সকালের উষ্ণ রোদের মতো উষ্ণতা ফিরে আসুক তোমাদের জীবনে।
এই দুঃখ -গ্লানি যেন বসন্ত হয়ে ফিরে আসুক তোমাদের তরে।